অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

রাফায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় অন্তত ২২জন নিহত


রাফায় ইসরায়েলের হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের লাশের সামনে শোকসন্তপ্ত মানুষ। ২৯ এপ্রিল, ২০২৪।
রাফায় ইসরায়েলের হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের লাশের সামনে শোকসন্তপ্ত মানুষ। ২৯ এপ্রিল, ২০২৪।

সোমবার ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানায়, গাজা ভূখণ্ডের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় রাতভর ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী এবং চিকিৎসকরা জানান, রাফায় বিমান হামলা তিনটি বাড়িতে আঘাত হানে।

গাজা এবং মিশরের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত এই অঞ্চলটি বর্তমানে গাজার অর্ধেকের বেশি মানুষের আবাসস্থল। কারণ ইসরায়েলের সেনা অভিযান থেকে বাঁচতে লোকজন আশ্রয় খুঁজছে।

সোমবার ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানায়, তাদের যুদ্ধবিমানগুলো লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হিজবুল্লাহ জঙ্গিদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

ইসরায়েলের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতির বিষয়ে সর্বসাম্প্রতিক আলোচনার জন্য সোমবার হামাস কর্মকর্তাদের মিশরে যাওয়ার কথা ছিল। যুদ্ধবিরতির আলোচনার মধ্যে কয়েক সপ্তাহের জন্য যুদ্ধ বন্ধ রাখা এবং গাজায় হামাসের হাতে আটক জিম্মিদের মুক্তি অন্তর্ভুক্ত ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু রবিবার গাজায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্য়ে চলমান প্রায় সাত মাসের যুদ্ধ সম্পর্কে ফোনে কথা বলেছেন। তবে হোয়াইট হাউস যুদ্ধবিরতি আসন্ন এরকম কোনো ইঙ্গিত তাৎক্ষণিকভাবে দেয়নি।

হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, দুই নেতা গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মিদের মুক্তির বিষয়ে চলমান আলোচনা পর্যালোচনা করেছেন।

যুদ্ধ সমাপ্তির উপায় নিয়ে কয়েক মাস ধরে আলোচনা চললেও যুক্তরাষ্ট্র, মিশর এবং কাতারের মধ্যস্থতায় আলোচনায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে সমঝোতা হয়নি।

নেতানিয়াহুর সাথে ফোনালাপে হোয়াইট হাউস জানায়, বাইডেন অন্য ১৭ জন বিশ্বনেতার সাথে তার চুক্তির কথা উল্লেখ করে হামাসের হাতে থাকা ১০০ জন জিম্মিকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে এবং যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার দাবি জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র ছয় সপ্তাহ ধরে যুদ্ধ বন্ধের জন্য চাপ দিচ্ছে।

হামাস দাবি জানিয়েছে, ইসরায়েল যাতে যুদ্ধ শেষ করে গাজা ছেড়ে চলে যায়। কিন্তু নেতানিয়াহু তা করবেন না। তিনি গাজার দক্ষিণাঞ্চলে রাফাহ শহরে স্থল আগ্রাসনের হুমকি দিয়েছেন। রাফায় ১০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৭ সালে হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে। ইসরাইল, মিশর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাপানও হামাসকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করে।

এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য এএফপি থেকে নেয়া হয়েছে।

XS
SM
MD
LG