সার্বিয়াতে নভেম্বর মাসে একটি রেল স্টেশন ভেঙে পড়ায় ১৫ জনের মৃত্যু হয়; এই ঘটনাকে ঘিরে জনতা ক্ষোভ প্রদর্শন করতে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ করছে; সর্বসাম্প্রতিক বিক্ষোভ দেখা গেছে সে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে নিস শহরে; সেখানে হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ মানুষ সমাবেশ করে। শনিবার, ১ মার্চ।
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার জন্য সার্বিয়ার জনগণের একাংশ দুর্নীতিকেই দায়ী করেছেন এবং এই দুর্নীতির সঙ্গে এক দশক ধরে ক্ষমতায় থাকা প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্দার ভুসিচ যুক্ত বলে তারা মনে করেন। এই বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন শিক্ষক, কৃষক ও অন্যান্য পেশার শ্রমজীবী মানুষ। ডিসেম্বর মাসে একাধিক রাষ্ট্র-পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির শ্রেণিকক্ষ অবরোধ করেছিলেন শিক্ষার্থীরা; এইভাবে এই বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল।
বিক্ষোভকারী ভুক ব্র্যাঙ্কোভিচ বলেন, এই বিক্ষোভ সার্বিয়ায় আশা ফিরিয়ে এনেছে। আরেক বিক্ষোভকারী জোরান কামেনিচ বলেন, বিক্ষোভকারীরা রাষ্ট্রের ধ্বংস নয়, ন্যায়বিচার দেখতে চান।
ভুসিচের সরকার বলেছে, তারা দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরু করবে। সেই সঙ্গে তারা দুর্নীতির সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
তবে শিক্ষার্থীরা দৈনিক বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে। তাদের জোরালো দাবি, রেল স্টেশনের ছাদ ভেঙে পড়ার সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্ত নথি প্রকাশ করুক কর্তৃপক্ষ এবং এই ঘটনার জন্য যারা দায়ী তাদের বিচারের আওতায় আনা হোক। তাদের আরও দাবি, বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ ও মামলা দেওয়া হয়েছে সেগুলি বাতিল করা হোক। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষায় বর্ধিত বরাদ্দের দাবিও জানিয়েছে তারা।
(রয়টার্স)