কিছু বৈশ্বিক স্বাস্থ্য প্রকল্প যেগুলোর যুক্তরাষ্ট্র অর্থায়নকৃত চুক্তি গত সপ্তাহে হঠাৎ বাতিল করা হয়েছিল, সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের চিঠি পেয়েছে বলে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসন ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এবং ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্টের অর্থায়নে প্রায় ৯০ শতাংশ চুক্তি বাতিল করার পরে এই সিদ্ধান্ত পালটানোর ঘটনাটি ঘটে।
ডেমোক্র্যাটিক আইন প্রণেতাদের সাথে কিছু রিপাবলিকান এবং অধিকার গোষ্ঠী বিশ্বজুড়ে ফেডারেল অর্থায়িত মানবিক প্রচেষ্টা বন্ধ করার তীব্র সমালোচনা করেন।
আরবিএম পার্টনারশিপ টু এন্ড ম্যালেরিয়ার প্রধান নির্বাহী মাইকেল অ্যাডেকুনলে চার্লস বলেন, বুধবার রাতে তার সংস্থার তহবিল বাতিল প্রত্যাহার করার চিঠি এসেছে।
তিনি রয়টার্সকে বলেন, “আমি মনে করি এটি একটি ভালো খবর। আরও নির্দেশনা পেতে সামনের দিনগুলোতে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।” “আমাদের অগ্রাধিকার হলো জীবন রক্ষা করা। তাই যত দ্রুত আমরা জীবন বাঁচানোর কাজে ফিরতে পারি ততই মঙ্গল।”
যক্ষ্মা এবং এইচআইভি/এইডস মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের তহবিল প্রাপ্ত কিছু প্রোগ্রামের বাতিলের নির্দেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তারপরও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
স্টপ টিবি পার্টনারশিপের নির্বাহী পরিচালক ডঃ লুসিকা দিতিউ রয়টার্সকে বলেন, “শুনতে ভালো লাগছে, কিন্তু আমরা টাকা তুলতে পারছি না।”
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র বলেন, করদাতাদের সম্পদ যাতে আমেরিকাকে নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করতে ব্যবহার করা হয় তা নিশ্চিত করতে ব্যয় করা প্রতিটি ডলারের পর্যালোচনা করার জন্য ট্রাম্প প্রশাসন কাজ করছে।
হোয়াইট হাউসে ফেরার প্রথম দিনেই ৯০ দিনের জন্য সব ধরনের বৈদেশিক সহায়তা বন্ধের নির্দেশ প্রদান করেন ট্রাম্প।পরবর্তী কর্মবিরতির আদেশে বিশ্বজুড়ে ইউএসএআইডির কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। ইউএসএআইডির অধিকাংশ কর্মীকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে অথবা চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য রয়টার্স এবং এপি থেকে নেয়া হয়েছে।