যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার শীর্ষ কূটনীতিকরা বুধবার বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা করেছেন। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প কানাডা ও মেক্সিকো থেকে আমদানিকৃত গাড়ির উপর নতুন ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ এক মাসের জন্য পিছিয়ে দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর বলেছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও কানাডার বিদেশমন্ত্রী মেলানি জলি “যৌথ বৈশ্বিক বাধা, সীমান্তের নিরাপত্তা, পারস্পরিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি” বিষয়ে মিলিতভাবে কাজ করতে সম্মত হয়েছেন।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট সংবাদদাতাদের বলেন, শুল্ক আরোপে বিলম্বের বিষয়ে ঘোষণার আগে ট্রাম্প গাড়িনির্মাতা ফোর্ড, জেনারেল মোটরস ও স্টেলান্টিসের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, শুল্ক এড়াতে গাড়ি নির্মাতাদের কানাডা ও মেক্সিকো থেকে তাদের কারখানা যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরিত করতে আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের দুই বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের অন্যান্য পণ্যের উপর ট্রাম্পের নতুন শুল্ক বিদ্যমান রয়েছে, যদিও লেভিট বলেছেন, অন্যান্য সম্ভাব্য মওকুফের বিষয়ে তাদের বক্তব্য শুনতে ট্রাম্প প্রস্তুত।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে এ দিনের শুরুতে কথা বলার পর এক বিবৃতিতে ট্রাম্প গাড়ি-শুল্ক আরোপে বিলম্বের ঘোষণা করেছেন; অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের খবর অনুযায়ী, ট্রাম্প যদি কানাডার উপর থেকে কোনও শুল্ক না সরান তাহলে কানাডার চাপানো পাল্টা শুল্ক তুলতে আগ্রহী নন ট্রুডো। োর
অন্টারিওর প্রাদেশিক প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ড বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে কানাডার গাড়ি রপ্তানির উপর যদি যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বহাল থাকে তাহলে কানাডার গাড়ি কারখানাগুলিতে উৎপাদন দিন দশেকের মধ্যে বন্ধ হয়ে যেতে শুরু করবে।
তিনি আরও বলেন, “অনেকে চাকরি হারাতে চলেছেন।”
কানাডার একাধিক প্রদেশের প্রধানরা বলেছেন, কানাডার অভ্যন্তরে ও বিদেশের সঙ্গে বাণিজ্য জোরদার করতে তারা পদক্ষেপ নিচ্ছেন যাতে একক বাজারের (যুক্তরাষ্ট্রের প্রসঙ্গে বলা হয়েছে) উপর তাদের নির্ভরতা কমে।