হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লিভিট বুধবার জানান যে যুক্তরাষ্ট্র অভিহিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হামাসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা “ চলমান কথা বার্তা ও আলোচনা” অব্যাহত রেখেছেন।
ইসরায়েল-হামাস অস্ত্রবিরতির বিষয়টি যখন ঝুলে আছে তখন কাতারের দোহায় আলোচনার নিশ্চিত খবর পাওয়া গেল। আলোচনার বিস্তারিত বিষয় সম্পর্কে জানাতে লিভিট অসম্মতি প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, “ দেখুন, আমেরিকান জনগণের স্বার্থে যা সর্বোত্তম তা-ই করার জন্য সংলাপ এবং বিশ্বব্যাপী লোকজনের সঙ্গে কথাবার্তা বলা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট প্রমাণ দিয়েছেন যে তিনি যা বিশ্বাস করেন তা হলো যে, যা আমেরিকান জনগণের জন্য সঠিক তার জন্যই সদিচ্ছার সঙ্গে প্রচেষ্টা চালানো।"
লিভিট আরও বলেন যে হামাস কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার বিষয়ে ইসরায়েলের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়েছে, তবে বলেন যে সেখানে “ আমেরিকান জীবন ঝুঁকির সম্মুখীন।"
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলছেন যে একজন আমেরিকান নাগরিক ইডান আলেকজান্ডারসহ এখনও ২৪ জন জিম্মি , তা ছাড়া অন্তত ৩৫ জনের মরদেহ এখনও গাজায় রয়েছে।
ইসরায়েল-হামাস অস্ত্রবিরতি অব্যাহত থাকার বিষয়টি অনিশ্চিত। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এমন আভাস দিয়েছেন যে হামাস যদি নতুন অস্ত্রবিরতি চুক্তির শর্তসমূহ মানতে রাজি না হয়, তা হলে লড়াই থেকে সরে আসতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর উপর কোন চাপ প্রয়োগের ইচ্ছা তাঁর নেই। ইসরায়েলি বলছে যে ওই অস্ত্রবিরতি চুক্তির খসড়া তৈরি করেন যুক্তরাষ্ট্রের দূত স্টিভ উইটকফ।
পণবন্দি বিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে ট্রাম্প মনোনীত অ্যাডাম বোয়েহলার হামাসের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন।
এই নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী হামাসকে তার অবশিষ্ট অর্ধেক জিম্মিকে অস্ত্র বিরতির সম্প্রসারণ এবং স্থায়ী চুক্তির নিয়ে আলোচনার প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে মুক্তি দিতে হবে। ইসরায়েল আরও ফিলিস্তিনি বন্দি মুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করেনি – যা ছিল প্রথম পর্বের প্রধান উপাদান।