উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে শক্তি প্রদর্শনের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস কার্ল ভিনসন রবিবার দক্ষিণ কোরিয়ার বন্দর নগরী বুসানে পৌঁছেছে বলে জানায় দক্ষিণ কোরিয়ার নৌবাহিনী।
জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু হওয়ার পর এটিই প্রথম ইউএস বিমানবাহী রণতরী যা দক্ষিণ কোরিয়ার বন্দরে নোঙর করলো।
দক্ষিণ কোরিয়ার নৌবাহিনী জানায়, উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে সিউল ও ওয়াশিংটনের সামরিক জোটের প্রস্তুতি প্রদর্শনের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের জোরালো প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এই সফর সম্পন্ন হয়েছে।
ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ ওয়ানের পরমাণু শক্তিচালিত জাহাজটির সাথে গাইডেড-মিসাইল ক্রুজার ইউএসএস প্রিন্সটন এবং গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস স্টেরেট যোগ দিয়েছে।
ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ ওয়ানের কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল মাইকেল এস ওসজে সোমবার বলেন, “স্পষ্টতই বুসানে আমাদের উপস্থিতি কোরিয়া প্রজাতন্ত্র ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শক্তিশালী জোট এবং আমাদের মিত্রদের সাথে প্রশিক্ষণ ও কাজ করার সুযোগকে প্রতিফলিত করে।”
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন গত মাসে কৌশলগত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের একটি পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ তত্ত্বাবধান করেন। তিনি এর পারমাণবিক হামলার সক্ষমতা ব্যবহারের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেন।
গত জুনে ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নিতে বুসানে পৌঁছানোর পর এই প্রথম কোনো ইউএস বিমানবাহী রণতরী দেশটিতে ভিড়লো।
পিয়ংইয়ং সব সময় দক্ষিণ কোরিয়ায় এ ধরনের সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের তীব্র সমালোচনা করে আসছে। ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিমের সাথে নজিরবিহীন শীর্ষ বৈঠক করেছেন। সেখানে তিনি তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা বলেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি আবার কিমের সাথে যোগাযোগ করবেন। তবে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি। দেশটি তাদের দৃষ্টিতে ওয়াশিংটন ও তার মিত্রদের সৃষ্ট গুরুতর নিরাপত্তা হুমকির নিন্দা অব্যাহত রেখেছে।