বাংলাদেশে এখন ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৩৭ লাখ ৩২ হাজার ২৭৪ জন, যা গত বছরের তুলনায় ১.৫৪ শতাংশ বেশি। রবিবার (২ মার্চ) ভোটার দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই তথ্য দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।
ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে এসেছে বলে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, “দেশে আজকের দিন পর্যন্ত মোট ভোটার ১২ কোটি ৩৭ লাখ ৩২ হাজার ২৭৪ জন। পুরুষ ছয় কোটি ৩৩ লাখ ৬১ হাজার ৬১৫ জন। মহিলা ছয় কোটি তিন লাখ ৬৯ হাজার ৬৬৫। হিজড়া ৯৯৪ জন।"
দেশেএকটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করার জন্য নির্বাচন কমিশন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
বাড়ি বাড়ি গিয়ে এখনো ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
ডিসেম্বরে হতে পারে নির্বাচনঃ প্রধান উপদেষ্টা
অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে জার্মানির সহায়তা কামনা করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, সরকার চলতি বছরের শেষ নাগাদ নির্বাচন দিতে পারে।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জার্মান সরকারের কমিশনার জারাহ ব্রুন তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, “নতুন বাংলাদেশের জন্য আপনাদের সবার সহযোগিতা চাই। জাতীয় নির্বাচনকে সফল করতে আমরা কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি।”
জার্মান সরকারের কমিশনারকে ডঃ ইউনূস বলেন, ইউরোপের বৃহত্তম অর্থনীতির সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্পর্ক বাড়ানোর লক্ষ্যে জার্মানির সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক গড়তে চায় বাংলাদেশ।
নির্বাচনের বিষয়ে সেনাপ্রধানের বক্তব্য
এদিকে দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে আশাবাদ জানিয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার–উজ–জামান বলেছেন, “আমরা দেশে একটা ফ্রি, ফেয়ার অ্যান্ড ইনক্লুসিভ ইলেকশনের জন্য (সামনের) দিকে ধাবিত হচ্ছি। তার আগে যেসব সংস্কার করা প্রয়োজন, অবশ্যই সরকার এদিকে হেল্প করবে।”
২০০৯ সালে তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দফতর পিলখানায় সংঘটিত নির্মম হত্যাকাণ্ডে শাহাদতবরণকারী সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণে ২৫ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) সকালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সেনাপ্রধান আরও বলেন, “আমি যতবারই ডঃ ইউনূসের সঙ্গে কথা বলেছি হি কমপ্লিটলি অ্যাগ্রিজ উইথ মি, দেয়ার শুড বি ফ্রি, ফেয়ার অ্যান্ড ইনক্লুসিভ ইলেকশন অ্যান্ড দ্যাট ইলেকশন শুড বি উইদিন ডিসেম্বর অর... (আমি যতবারই ড. ইউনূসের সঙ্গে কথা বলেছি তিনি সম্পূর্ণভাবে আমার সঙ্গে একমত হয়েছেন যে, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন হওয়া উচিত এবং সেই নির্বাচন হওয়া উচিত ডিসেম্বরের মধ্যে বা...)। যেটা আমি প্রথমেই বলেছিলাম যে ১৮ মাসের মধ্যে একটা ইলেকশন। আমার মনে হয়, সরকার সেদিকেই ধাবিত হচ্ছে। ডঃ ইউনূস যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন, যে দেশটাকে ইউনাইটেড রাখতে। কাজ করে যাচ্ছেন উনি, তাকে আমাদের সাহায্য করতে হবে, উনি যেন সফল হতে পারেন। সেদিকে আমরা সবাই চেষ্টা করব। আমরা একসাথে ইনশাল্লাহ কাজ করে যাব।”