ছবিতে দেখা যাচ্ছে, গাজার দক্ষিণাঞ্চলে রাফাহ শহরে রোজা ভেঙে ইফতার করার জন্য লম্বা টেবিল পাতা হয়েছে; ধ্বংসস্তুপের মধ্যে আলোকসজ্জাও করা হয়েছে।
যুদ্ধক্লান্ত ফিলিস্তিনিরা রোজা রেখে ও বাড়তি উদ্বেগ নিয়ে পবিত্র মাসের প্রথম দিনটি পালন করলেন।
নেতানিয়াহুর দফতর গত সপ্তাহে বলেছে, “মানুষের ভোগান্তি দূর করতে ও এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে গাজা ভূখণ্ডে মানবিক ত্রাণের সরবরাহ বৃদ্ধির উপায় নিয়ে” মধ্যস্থতাকারীরা আলোচনাও করেছেন।
জাতিসংঘের খাদ্য বিষয়ক সংস্থা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেছে, চুক্তির প্রথম ধাপে তারা গাজায় ১০ লক্ষ ফিলিস্তিনির কাছে ত্রাণ পৌঁছেছে।
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বলেছে, “যুদ্ধবিরতি বহাল রাখতেই হবে। এ থেকে ফেরার পথ নেই।”
(এপি)