অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

 
ট্রাম্প-জেলেন্সকির উত্তপ্ত বাদানুবাদের পর ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ালেন ইউরোপের নেতারা

ট্রাম্প-জেলেন্সকির উত্তপ্ত বাদানুবাদের পর ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ালেন ইউরোপের নেতারা


ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকির সঙ্গে হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে বৈঠক করছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প । ওয়াশিংটন, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকির সঙ্গে হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে বৈঠক করছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প । ওয়াশিংটন, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫।

শুক্রবার হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকির বৈঠক উত্তপ্ত বাদানুবাদে রূপান্তরিত হয় এবং ট্রাম্প মন্তব্য করেন, জেলেন্সকির আচরণ “অসম্মানসূচক”। এই বৈঠকের পর সমগ্র ইউরোপজুড়ে, বেশ কয়েকটি দেশের নেতা ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করেছেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা কালাস জানান, এটা স্পষ্ট হয়েছে যে “মুক্ত বিশ্বের একজন নতুন নেতা প্রয়োজন”।

সামাজিক মাধ্যম এক্স’এ কালাস লিখেন, “ইউক্রেন মানেই ইউরোপ! আমরা ইউক্রেনের পাশেই আছি।”

জার্মান চ্যান্সেলার ওলাফ শোলজ এক্স’এ বলেন, “ইউক্রেন জার্মানির ওপর ভরসা রাখতে পারে—এবং ইউরোপের ওপর”। অপরদিকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, “ইউক্রেন, স্পেন তোমার পাশেই আছে।”

পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডনাল্ড টাস্ক এক্স’এ বলেন, “প্রিয় জেলেন্সকি, প্রিয় ইউক্রেনীয় বন্ধুরা, তোমরা একা নও।”

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রোঁ পর্তুগালে সংবাদদাতাদের বলেন, “রাশিয়া এখানে আগ্রাসীর ভূমিকায়, আর তাদের সেই আগ্রাসনের শিকার ইউক্রেনের মানুষ।”

ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, চেক প্রজাতন্ত্র ও নরওয়ে সহ ইউরোপের অন্যান্য দেশের নেতারাও সামাজিক মাধ্যমে ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

ট্রাম্প ও জেলেন্সকির এই বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে এমন একটি চুক্তি সই করা, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের ‘রেয়ার’ খনিজ সম্পদ উত্তোলনের সুবিধা পাবে। এই বৈঠকের প্রায় ৪০ মিনিটের সময়ে এই আলোচনার সুর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে যখন জেলেন্সকি ২০১৪ সালে রাশিয়ার ক্রাইমিয়ায় আগ্রাসন চালানোর ঘটনাটি উল্লেখ করেন।

তাৎক্ষনিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জেলেন্সকির সমালোচনা করেন এবং তার বিরুদ্ধে “অপপ্রচার” চালানোর অভিযোগ আনেন।

ভ্যান্স ও ট্রাম্প উভয়ই ইউক্রেনের নেতাকে ওয়াশিংটনের কাছ থেকে তার দেশের পাওয়া সুবিধার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ না করার জন্য অভিযুক্ত করেন।

হঠাত্ করে বৈঠক শেষ হয়ে যাওয়ার পর হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করে, খনিজ সম্পদের চুক্তি সই হয়নি।

এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য এপি ও রয়টার্স থেকে নেওয়া হয়েছে।

XS
SM
MD
LG