ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণ আগ্রাসনের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে কিয়েভ গেছেন ইউরোপ ও বিশ্বের নেতারা; সে দেশের রাজধানীর কেন্দ্রে এক স্মৃতিসৌধে এই যুদ্ধে নিহত সৈন্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন তারা। সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি।
কিয়েভের ইন্ডিপেন্ডেন্স স্কোয়ারে নেতারা পৌঁছালে তাদের অভ্যর্থনা জানান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকি ও ফার্স্ট লেডি ওলেনা জেলেন্সকি; নিহত সৈন্যদের নাম লেখা হাজার হাজার পতাকা দিয়ে অস্থায়ী স্মৃতিসৌধ তৈরি করা হয়েছে এখানে।
এক শীর্ষ সম্মেলনে কিছু নেতাকে অভ্যর্থনা জানানোর পাশাপাশি সোমবার ইউক্রেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে চতুর্থ বছরের মতো যুদ্ধ শুরু করেছে, তবে তাদের প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের উপর আর ভরসা করতে পারবে কিনা তা নিয়ে তারা অনিশ্চিত।
কিয়েভে এই শীর্ষ সম্মেলনে হাজির হয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট আরসুলা ভন ডার লেয়েন, ইউরোপীয় পরিষদের প্রেসিডেন্ট অ্যান্তোনিও কস্তা এবং কানাডা, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, স্পেন ও সুইডেনের নেতারা।
ওদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে ওয়াশিংটন, ডিসির হোয়াইট হাউসে স্বাগত জানান।
ম্যাক্রোঁ এবং ট্রাম্পের মধ্যে এই সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনের শান্তি প্রক্রিয়া এবং ইউরোপের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
ম্যাক্রোঁ বলেন, উভয় নেতা একটি "দৃঢ় ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি" চান। তিনি ঘোষণা দেন যে ইউরোপ প্রতিরক্ষা খাতে "ব্যয় বৃদ্ধি" করতে প্রস্তুত এবং পুনরায় জানান যে ইউরোপ শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন করতে প্রস্তুত।
ট্রাম্প বলেন যে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুদ্ধের সমাপ্তির জন্য একটি সম্ভাব্য চুক্তির গ্যারান্টি হিসেবে ইউক্রেনে ইউরোপীয় শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন করতে "রাজি" আছেন।