অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

 
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট আল নাহিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট আল নাহিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন

ছবিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে আবু ধাবির এডিএনইসি সেন্টারে দেখা যাচ্ছে। মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, বৈঠকটি ইউএস-ইউএই কৌশলগত অংশীদারিত্বের প্রাণশক্তি নিশ্চিত করেছে। রুবিও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার লক্ষ্যে শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্পর্ক, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসহযোগিতার ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত এই সম্পর্কের জন্য তার কৃতজ্ঞতা জানান।

সেইসাথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং কোয়ান্টাম কম্পিউটিং উভয় ক্ষেত্রেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি দুই দেশের ইতিমধ্যেই শক্তিশালী অর্থনৈতিক বন্ধন আরও জোরদার করে তোলার জন্য তার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

তাদের দুজনের মধ্যে গাজার বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ, সিরিয়া, লেবানন এবং সমগ্র অঞ্চলে স্থিতিশীলতার অগ্রগতি এবং লোহিত সাগরে নৌচলাচলের স্বাধীনতার হুমকি মোকাবেলার উপায়গুলিও নিয়েও আলোচনা হয়।

ওদিকে, আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ডাবলুএএম জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতা রুবিওকে জানিয়েছেন যে ফিলিস্তিনিদেরকে নিজ ভূমি থেকে বাস্তুচ্যুত করার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে তার দেশ।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং সেখানকার ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের জর্ডান ও মিসরে পুনর্বাসনের প্রস্তাব দেন।

ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি সংঘাতের ক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অবস্থানটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি সেই চারটি আরব দেশের মধ্যে একটি, যারা ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের সময় ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রেখেছিল।

এছাড়া, আগের সংঘাতগুলোর পর গাজার পুনর্গঠনে অর্থায়নের ক্ষেত্রেও দেশটি ভূমিকা রেখেছে।


XS
SM
MD
LG