বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ডাক বিভাগ জানায়, তারা চীন ও হংকং থেকে আসা পার্সেল গ্রহণ করবে। এটি প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের আগের আদেশের সম্পূর্ণ বিপরীত। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প টেমু, শেইন এবং অ্যামাজন এএমজিএন ডট ও-সহ খুচরা বিক্রেতাদের দ্বারা ব্যবহৃত একটি বিধানের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করে। ঐ বিধানের অধীনে স্বল্প মূল্যের প্যাকেজগুলো যুক্তরাষ্ট্রে শুল্কমুক্তভাবে পাঠানো যেত।
তারা এক বিবৃতিতে বলে, “প্যাকেজ সরবরাহে যাতে তেমন কোনো ব্যাঘাত না ঘটে তা নিশ্চিত করতে চীনের ওপর নতুন শুল্কের জন্য একটি দক্ষ সংগ্রহ ব্যবস্থা বাস্তবায়নে ইউএসপিএস এবং কাস্টমস এবং সীমান্ত সুরক্ষা একসাথে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।”
ট্রাম্প প্রশাসন চীনে পণ্যগুলোতে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে এবং “ডি মিনিমিস” ছাড়টি বন্ধ করে দিয়েছে। এর অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতারা চীন থেকে ৮০০ ডলারের নিচের চালানের জন্য শুল্ক দিতে হতো না।
চীন থেকে ডি মিনিমিস চালান বন্ধ করার ট্রাম্পের আদেশের সাথে এর অস্থায়ী স্থগিতাদেশ জড়িত ছিল কিনা সে সম্পর্কে ইউএসপিএস তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। আদেশটি শনিবার ঘোষণা করা হয় এবং মঙ্গলবার মধ্যরাতের এক মিনিট পর থেকে কার্যকর হয়।
নিউইয়র্ক ভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সাপ্লাই চেইন কমপ্লায়েন্সের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মরিন কোরি বলেন, “এর জন্য প্রস্তুতি নেয়ার মতো সময় নেই” “আমাদের আসলে যা প্রয়োজন, তা হলো সতর্কতা বা নোটিস ছাড়াই কীভাবে এটি পরিচালনা করা যায় সে সম্পর্কে সরকারের দিকনির্দেশনা।”
বর্তমানে ডি মিনিমিস পার্সেলগুলো একত্রিত করা হয় যাতে কাস্টমস একেবারে শত শত বা হাজার হাজার চালান অনুমোদন করতে পারে। তবে এগুলোর এখন পৃথক ছাড়পত্রের প্রয়োজন হবে, যা ডাক পরিষেবা, ব্রোকার এবং কাস্টমস এজেন্টদের বোঝা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে তুলবে বলে জানান কোরি।